Archive for the ‘Governance’ Category

Research Report Published   Leave a comment

My co-authored research report “Uncounted Works Of Indigenous Women At Chittagong Hill Tracks” has been published.

Here is the link of the electronic version-




Experience of “Waje Mahfil” (Islamic Seminar/speech)   Leave a comment

Posts From facebook

February 3 at 10:59pm

I have been compelled to listen high volume “Waje” (Islamic speeches by clerics) in my village. Though there are some good advice in the speech that I liked. It is going on without any concern about the sound safety/pollution and the studies of the students who are appearing SSC exams. But I am more bothered by the reference of the other religions to establish supremacy of Muslims and the offensive tone by a speaker to them and to the cultural practices such as listing music.
I think it is completely unnecessary to refer to others for proving ones superiority if they are really superior. Islam and Muslims have a lot of things to be proud of and they have the same chance to do good things to be more proud like anyone else in the world; so when these mean-minded clerics would realize the importance of respecting others and good deeds to make oneself proud than offending others? And would be responsible to other people —


February 4 at 10:53pm

After the speeches prolonged beyond the midnight, one of the hot topics today was a comment by a cleric: A Muslim man should not apply razor to his beard, means one should not trim his beards; some people were asking if it is seriously meant; then some other replied- they should have asked that to that speaker, if he had ever trimmed his beards, which is most likely. Besides that my observation is the younger speakers delivered the most important advice in their speech but the crowd favourite were those older ones who could sensationalize the speech, added some spicy statements and could prove that ‘Muslims’ are superior to ‘others’ regardless their practices and qualities (well there is still space for debate on what they meant as ‘Muslims’). So, my observation is that the quality of speakers and audiences reproduces each other and limits hope for people like me that the society would be benefited from it.


February 4 at 11:15pm

In the evening I came across a group of my relatives and fellow villagers who were devising publicity strategy for another such “Islamic Waje Mahfil” in two weeks time at arms length form the place of the last nights one, beside another mosque (there are two mosques in the community within the distanse of few hundred meters resulting from factional rivalry) and my impression was that this “Waje Mahfil” was not also a separate incident. From last night’s experience I requested the coordinating person of this event, a senior cousin of mine, to consider two things: the SSC exam of the students and the issue of sound level; he replied that the high volume religious speech is not a problem, as it is virtuous, no one should complain about it. Though one or two in the gathering nodded in support, my request was returned from deaf ears. As I am writing, loudspeaker sound of another such event from few kilometers apart is pouring in to my ears; and reminding me that at my childhood and youth such events were rare and within last decade or even less than that it is becoming more frequent along with sending the children in the religious schools.

(after the above post some of my friends expressed concerns over my safety due to recent extremism on religious issues and I had to write the following reply–)

February 6 at 11:42am

Thanks everyone for your concerns! I partially agree with you; except the risk factor, which was minimal as that was my village and I and my family have a reputation there; however, few valuable things I have learned there- the sound and exam time issues are probably due to ignorance and unawareness- when I raised it, immediately some people agreed with it but unfortunately not all; later some of the organizers told me that they will try to keep sound low. And I am sure if they could thought about it consciously, they would have considered about exam too; they already printed the posters, made some preparation and invested some money, so it was not easy for them to change the date. I hope next time they will consider those. And it is our duty to share knowledge and awareness with our community —-


Posted February 6, 2016 by Abu Ala in Governance, Religion & faith, Society

আমার সাম্প্রতিক রেল ভ্রমণ ও আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা   Leave a comment

কয়েকদিন আগে আমি ময়মনসিংহ থেকে গফরগাঁও যাচ্ছিলাম; অভিজ্ঞজনেরা আমাকে রেলগাড়িতে যেতে বললো- বাস ও অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থা এতই খারাপ যে রেল ছাড়া বস্তুত আর কোন উপায় নেই। তাই বহু বছর পর আবার রেলগাড়িতে চড়ার সিদ্ধান্ত নেই। আমি সকাল ৮.৪০ এর আন্ত:নগর ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসে যাবো ঠিক করলাম। যথা সময়ে ময়মনসিংহ স্টেশনে উপস্থিত হয়ে জানতে পারলাম সব আসনের টিকিট আগেই বিক্রি হয়ে গেছে, দাঁড়িয়ে যেতে হবে, উপায়ন্তর না দেখে দাঁড়ানো টিকিটই নিলাম। তারপর গাড়ির অপেক্ষায় হাঁটাহাটি শুরু করলাম। এক জায়গায় দেখলাম একজন মাঝ-বয়সী মানুষ টলমল অবস্থায় বসে আছে, মুখ থেকে ফেনা বের হচ্ছে। কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম অসুস্থ কিনা, কোন উত্তর দিতে পারলোনা, পাশের হকাররা বললো সে অজ্ঞান পার্টির শিকার।_MG_8839

আমি গিয়ে রেলওয়ে পুলিসের একজন সদস্যকে পেয়ে তার কথা জানালাম, ভদ্রলোককে বেশ সহৃদয়ই মনে হলো, আমার কথা শুনে সাথে সাথে আসল , লোকটিকে ধরে কিছু বস্তার গায়ে হেলান দিয়ে বসাল। তারপর তাকে জিজ্ঞেস করে বুঝার চেষ্টা করল তার বাড়ি কোথায়, ফোন নম্বর বলতে পারবে কিনা, ইত্যাদি। আমি জিজ্ঞেস করলাম যে যেহেতু তার সাথে কেউ নেই তাই লোকটিকে কিভাবে দ্রুত চিকিৎসা দেয়া যায়। তিনি জানালেন যে স্টেশন মাস্টার একটা “ডিও লেটার” দিলে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে জরুরী চিকিৎসা দেয়া যাবে। তিনি গেলেন স্টেশন মাস্টারের খোঁজে, আমি দাঁড়িয়ে রইলাম লোকটির কাছে। তিনি ফিরে এসে জানালেন স্টেশন মাস্টার তখনো আসেনি, অপেক্ষা করতে হবে। তিনি বললেন আচার খাওয়ালে কিছুটা উপকার হয়, আমি আচার এনে দিলাম, তিনি খাওয়ালেন, কিন্তু তাতে কোন ফল দেখতে পেলামনা। আমরা দাড়িয়ে এ বিষয়ে কথা বলতে বলতে জানলাম প্রায় প্রতিদিনই কয়েকটা করে এ ঘটনা ঘটে, বেশীরভাগ শিকার নিম্নবিত্ত বা নিম্ন-মধ্যবিত্ত, এ ঘটনা বেড়ে চললেও এর প্রতিকারের কোন ব্যবস্থা নেই, রেল পুলিশের সংখ্যা এত কম আর তাদের কাজের সুযোগ-সুবিধা এত কম যে তাদের পক্ষে এটা ঠেকানো অসম্ভব। নিয়মিত এমনটা ঘটলেও অসুস্থ মানুষদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া বা এমনকি একটু শোয়ানোর ব্যবস্থাও কোন স্টেশনে নেই। স্টেশন মাস্টারের “ডিও লেটার” নিয়ে যে হাসপাতালে নিয়ে  যেতে হয় তার খরচ, এমনকি ঔষধের টাকাও তাদের নিজের পকেট থেকে দিতে হয়, তাই ঘন ঘন এ ঘটনা ঘটলে তারাও রোগীকে হাসপাতালে নেয়ায় আগ্রহ হারায়। এ সময় তার কাছে ফোন আসে যে এক উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তা ঢাকা যাবেন বলে স্টেশনে এসেছেন, তাকে অভ্যর্থনা করতে হবে, তিনি ছুটে গেলেন। সোয়া ন’ টা পার হয়ে গেলেও গাড়ি কখন আসবে তা কেউ জানেনা, আমি দাঁড়িয়ে রইলাম। তিনি কিছুক্ষণ পর আবার এসে জানালেন স্টেশন মাস্টার আসেনি; এ সময় তিনি এক হকারকে বললেন যে, তারা মাত্র দু’জন পুলিশ কর্তব্য পালন করছেন তাই তার পক্ষে হাসপাতালে যাওয়া সম্ভব নয়, সে যেন একটু অজ্ঞান লোকটিকে নিয়ে যায়, হকার রাজি হয় যদিও এতে যে তার আগ্রহ নেই তা বোঝাই যাচ্ছিল। অবশেষে পৌনে দশটায় গাড়ি আসে আমি দ্রুত তাতে উঠে পড়ি, চলন্ত গাড়ির জানালা দিয়ে দেখতে পাই মানুষটি তখনো বস্তায় হেলান দিয়ে পড়ে আছে, যে এদেশের একজন নাগরিক, ভোট দিয়ে সরকার নির্বাচন করে, যার করের পয়সায় সরকার ও রাষ্ট্রযন্ত্র চলে।


ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসের ভেতরে বেশ কিছু আসন না পাওয়া যাত্রী দাড়িয়ে ছিল, আর দু’জনের আসনে তিন জন করে বসে অনেক আসন ছাড়া যাত্রীরই বসার ব্যবস্থা হয়ে গিয়েছিল। আমি যে আসনের পাশে দাড়িয়ে ছিলাম তার দুই যাত্রীর কথায় মনে হলো তারা রেলের কর্মকর্তা; জানতে পারলাম তাদের একজন স্টেশন মাস্টার। তার সাথে গণ্প জমে উঠল, তিনি জানালেন- ওবায়দুল কাদের সাহেব মন্ত্রী থাকাকালে রেলের সময়সূচি ঠিক ছিল, অন্যান্য দিকেও উন্নতি হচ্ছিল; মন্ত্রীর নিজের আগ্রহ ছিল, চেষ্টা ছিল, তিনি নিজে যখন-তখন পরিদর্শনে যেতেন, অবহেলা দেখলে ব্যবস্থা নিতেন। তার পরে যে দায়িত্ব নিয়েছে তার সে আগ্রহ ও চেষ্টা নেই তাই সব আগের দূর্দশাতেই ফিরে যাচ্ছে। রেল যোগাযোগ দশকের পর দশক অবহেলিত হয়েছে, ফলে এর নিজস্ব যে মান নিয়ন্ত্রণ ও পরির্শন ব্যবস্থা ছিল তা ভেঙে পড়েছে। এক দশকেরও বেশী সময় ধরে কোন জনবল নিয়োগ হয়নি ফলে জনবলের অভাবে অনেক স্টেশন বন্ধ করে দিতে হয়েছে, অন্যান্য সব কাজও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে । বর্তমানে যদিও জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তাদেরও প্রশিক্ষিত হতে, অভিজ্ঞতা অর্জন করতে সময় লাগবে ফলে দেরী হবে রেলের সেবা উন্নত হতেও। অনেক স্টেশন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আগে যেখানে দশ মিনিট পর পর বিপরীত দিক থেকে আসা গাড়িকে “ক্রসিং” দেয়া  যেত, এখন একটি গাড়িকে আধাঘন্টা বা তার চেয়ে বেশী সময় কোন কোন স্টেশনে বসে থাকতে হয় অন্য গাড়িকে পার হবার সুযোগ দেয়ার জন্য, কারণ রেল লাইন একটি। ফলে গাড়ির গন্তব্যে পৌছতে দেরী হয়, সময়সূচীর বিপর্যয় ঘটে। রেলে দীর্ঘদিন কোন বিনিয়োগ হয়নি, তাই ইঞ্জিন ও বগির ব্যাপক সংকট, অবকাঠামোর উন্নতি তো হয়ইনি বরং অবনতি হয়েছে, অন্যদিকে দিনে দিনে মানুষের সংখ্যা আর চাহিদা দুই’ই বেড়েছে। তিনি বলেন, রেল এখনো যথেষ্ঠ পরিমাণে আয় করে, এটা আরো বাড়ানো সম্ভব যদি দূর্নীতি রোধ করা যায়। তবে রেলের সবচেয়ে বড় সমস্যা এর আয়ে নয়, ব্যয়ে; রেলের যারা বড় বড় ক্রয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত তাদের দূর্ণীতি বন্ধ করা গেলে রেল এখনো লাভজনক হবে, এর সেবার মানও বাড়বে। এর জন্য দরকার উদ্যোগ, পরিকল্পনা আর কিছুটা কর্তব্য নিষ্ঠা।

তার কথা শুনে আমার মনে পড়ল যে গত কয়েক দশক ধরে অবকাঠামো উন্নয়ন আর শিল্পায়নের যে ব্যাবস্থাপত্র বিশ্বব্যাংক, এডিবি, আইএমএফ গং দিয়ে আসছে তাতে সব সময়ই রেলকে বাদ দেয়া হয়েছে আর জোর দেয়া হয়েছে সড়ক পথের উপর। সমালোচকরা বলেন যে সড়ক পথের নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ সবই ব্যয়বহুল, এতে পরিবহন খরচও বেশী তবুও এর কদর কারণ কিছু অসৎ ব্যবসায়ী আর রাজনৈতিক নেতা এ থেকে লাভ করতে পারে। আর এসব ব্যবসায়িক স্বার্থ বিশ্বব্যাংক গংদের সাথে একই সুতায় গাঁথা।

সৌভাগ্যক্রমে অনেক দেরীতে হলেও সরকার সম্প্রতি কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। এটা চালু থাকবে, জোরদার হবে, এটাই এখন কাম্য; কারণ এদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার ভবিষ্যত সড়ক নয় রেল আর নৌ পথেই।

4th Day of Rescue: Improved and Optimistic   Leave a comment

On the 4th day when I went there second time for photographing. I saw some epic heroic acts- an electrician from a garment factory crawling inside a precariously standing pile of rubble to find survivors. A garment factory worker went down under several stories of ruins to pull out 4 survivor and dead-bodies and succeeded despite injuring his foot. A young men injured during rescue continued his work. A textile engineer from Comilla, a trained volunteer of Red-Crescent, was working for days in the site and rescued survivors. But, definitely the pivotal role of the rescue was played by the fire-fighters. Though many efforts were spearheaded by volunteers from public  but fire-fighters were also working shoulder to shoulder with them. They were the main facilitator of the rescue. The way they worked relentlessly with limited resource is super humane. But the toughest of all were the survivors who lived through all disasters beyond all speculations and gave the rescuers opportunity to work. The combined effort has perhaps made it one of the most extraordinary rescue operations. I saw some comic pieces too- an young army officer leading a group for the search of survivors was a bit demanding about his personal gears and made his men change those so many times and the number of people and time he consumed for those could probably be totaled into a mini-rescue. However, I saw a much more organized operation at 4th day. Military officers were more active and they were working in coordination with the volunteers and fire department. They were more active but their inexperience and lack of preparation and motivation for such work were still visible. By this time supply chain was also organized and necessary things were stored in adequate quantity. It was very promising because it shows the rescuers and their leadership were responsive to the opinions from different quarters, they were learning from their experience and they were trying to improve their performance. This part I think is particularly important- learning and improving performance.

Yet, the role of some media and photography professionals were far from desired- they were quarreling with the rescuers, disturbing their operation peeping their noses (lenses) to far, and making dangerous maneuvers to get photo, which could put in risk not only themselves but also all the rescuers.

However, some of the new concerns has emerged- the survivors are affected not only physically but also psychologically. They need medical care as well as psychological support. They need long-term psycho-somatic rehabilitation support too. Not only the victims but many of the rescuers are also injured and signs of post traumatic stress disorder are also developing among them. They need care for some period too. Now we have to focus on these issues. And still remains the question of punishing the perpetrators of this crime and the preventive measures to avoid such disasters in future.

Therefore 6 more suggestions for disaster management-

The government should provide-

1. Long-term psycho-somatic rehabilitation support to the survivors

2. Long-term  rehabilitation support for the survivors with disabilities

3. Treatment and psychological care support for the rescuers to treat injuries and present post traumatic stress disorder

4. Adequate recognition and reward for the volunteers and professionals for their exceptional roles in rescue

5. Taking adequate measures for preventing such preventable disasters

6. Making legal provision and practice of tougher punishments for the perpetrators responsible for such disasters

Rana plaza; Garment factory collapse

Rescuers pulling out rubble with buckets from many storied down to free survivors.  Photo: © Abu Ala

Rana plaza; Garment factory collapse

A volunteer Garment Worker is preparing to crawl through the pockets of rubble to search survivors. Photo: © Abu Ala

Rana plaza; Garment factory collapse

A volunteer Garment Worker is having some food after pulling out survivors from the deep of collapsed building. Photo: © Abu Ala

Rana plaza; Garment factory collapse

A volunteer Garment Worker is entering through an opening in collapsed building to search survivors. Photo: © Abu Ala

Rana plaza; Garment factory collapse

A volunteer Garment Worker is preparing to crawl through the pockets of rubble to search survivors. Photo: © Abu Ala

Rana plaza collapse

Heavy lifting and rescue machinery are deployed but could not be used to avoid further collapse to save lives of survivors. Photo: © Abu Ala

More Photos –

4th day in Rana Plaza: Where at humanity remain triumphant at the end. Still they live, still they are pulled out from the rubble—

Savar Building Collapse Rescue Operation and Some Points about Disaster Management   1 comment

( It was initially published in slightly different form as Abu Ala Hasan: 9 Proposals for Disaster Preparedness at
I went to Savar building collapse site yesterday. For photographing I had to go inside the building and for the whole day I closely observed the rescue efforts in and outside of the building. First, I would like to acknowledge the heroic effort by some of the members of the public, fire service and armed forces. These people are risking their life without any safety measures to save others. They are working like super human for days without rest in a place no better than hell with acute stench of rotten human flesh, intense heat, dust, darkness and suffocating atmosphere. I salute them.
Now I want to focus on some aspects of the management of this rescue operation by the authorities responsible-
1. I did not see professional discipline from many of the members of armed forces there. They were wondering aimlessly inside the disaster site and lacked motivation and effort. Effective commanding and leadership was clearly lacking. They also failed to cordon and seclude the disaster site properly.
2.The coordination among different agencies were also lacking.
3. Basic equipments for such rescue such as hack-saws, hammers, concrete cutters, lighting arrangements, torch lights, power supply was inadequate.
4. There was no distribution arrangement for such tools when and where required. Volunteers were standing with the placards beside the road and people were providing those (including myself)
5. The main force of this rescue was the untrained people who volunteered. There was no guidance, facilitation, coordination and supervision of their efforts by the authorities responsible for the rescue.
6. Private sector fire fighters were a significant force but there was no facilitation and coordination of their activities either.
7. Crowds were terrible, people without any purpose flocked there just to watch. Law-enforcement agencies and volunteers started to block them kilometers away yet thousands managed to slip through.
8. People who are responsible for such operation seemed to lack skill, experience and motivation for such rescue effort and their performance was not satisfactory as I mentioned about the miss-management earlier.
9. The agencies seemed to be lacking adequate, training, skills, equipments and motivations for such rescue operations.
10. Volunteers played an important role to keep the curious crowd at bay and roads clear for ambulances (many of whom might be ruling party loyalists, according to local people; it was good job; though their presence was not visible at the disaster site as of other political party supporters)
11. Some media staffs, photographers were going very close, disturbing the rescuers and hindering the rescue operation. some even entered with arguments with rescuers.
12. Media, except few, failed to convey the picture of miss-management and news of necessary equipments and needs.
Therefore, my quick suggestions are-
1. we need to improve the capacity of our authorities for rescue and salvage in terms of skills, training, motivation and equipments.
2. There should be a mechanism to mobilize and manage the volunteers from the public in such occasions; who have already been proven as an asset.
3. There should be a coordinated effort to train volunteers from the public.
4. responsibility to coordinate / leadership of such operations should be given to trained and experienced professionals who have the capacity to manage such efforts rather than some military or other officials.
5. fire service should be lead by professional fire fighters or rescue professionals.
6. Community involvement for civil defense and rescue should be increased.
7. Mass people should be made aware about disaster situations so that they do not make the rescue operations more difficult. Media could play an important role in this regard.
8. Media could keep the people and the authorities aware and informed about the needs in such situations to ensure timely supply and action.
9. There should be a proper and well communicated guideline for media and media personnel for such situation so that they can not hinder rescue. Media houses should educate their staffs about such norms.Link of my photos of the disaster site:
Rescue effort goes into 2nd day at the collapsed Savar building
Two rescuers are resting after pulling out bodies from the rubble; Photo:© Abu Ala
Photo:© Abu Ala
Photo:© Abu Ala
Rana plaza collapse
It is a slow and arduous task to remove rubble by hand to save survivors; heavy machines could not be used to avoid further collapse . Photo:© Abu Ala
Public agitated by the slow progress of rescue jumped into pulling down the rubble. Photo:© Abu Ala

বন্ধুর স্বপ্ন ও বিরোধীদলের মহা-সমাবেশে সরকারী সহযোগিতা   Leave a comment

সকালবেলায় ফোনের শব্দে ঘুমটা ভাঙলো একরাশ বিরক্তি নিয়ে। ভেবেছিলাম আজ একটু বেশী ঘুমাবো, অফিসে যাবার তাড়া নেই কারণ কাল থেকেই বিরোধীদলের সমাবেশ উপলক্ষ্যে সরকারের অবরোধে রাজধানী অচল, তা আর হলোনা। কানে তুলতেই শুনি বন্ধু ফয়সাল বলছে- শুনেছিস? আজ ভোরে নাকি খালেদা জিয়া মিষ্টি, ফল আর নানা উপহার নিয়ে শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিল। চমক আর বিরক্তি একসাথে করে বলি- শালা, ফাজলামির আর জায়গা পাস না, সকাল সকাল ফালতু কথা বলে মানুষের ঘুম নষ্ট করছিস!  ও বেশ সিরিয়াস গলায় বলে- না শোন সত্যি, খবরে শুনেছি খালেদা গিয়েছে হাসিনাকে কৃতজ্ঞতা জানাতে; বলেছে- আমার একবেলার সমাবেশকে চারদিনের অবরোধে পরিণত করার জন্য আপনার কাছে আমি ঋণী। আমি যখন আমার কর্মীদের কোনমতেই মাঠে নামাতে পারছিলাম না তখন তাদের আপনি উৎসাহের একটি উপলক্ষ দিয়েছেন। আপনি তাদের সাহস যুগিয়েছেন এ ধারণা দিয়ে যে আপনি তাদের জমায়েত ও আন্দোলনকে পরোয়া করেন। আমি জনগণের কাজে পৌঁছতে যখন হাবুডুবু খাচ্ছিলাম, আমার পায়ের তলায় মাটি ছিলনা, যুদ্ধাপরাধীদের সমর্থন করে-তাদের সাথে নিয়ে আন্দোলন করার চেষ্টা করতে গিয়ে যখন আরো গণ-বিচ্ছিন্ন হচ্ছিলাম, তখন আপনি জনগণকে নাজেহাল করে, তাদের যারপর নাই বিরক্ত করে, আমার প্রতি তাদের সহানুভূতি তৈরী করছেন। এটা আপনি এমন সুচারুভাবে করেছেন যে, এমনকি ঐতিহ্যগতভাবে আওয়ামী ঘরানার অনেক মানুষও এজন্য এ মুহূর্তে আপনার প্রতি বিরক্ত। আমার জন্য আপনি তার চেয়েও বড় ঝুকি নিয়েছেন, আপনি সবার কাছে নিজেকে উপস্থাপন করছেন এভাবে যে, বিরোধী দলের সমাবেশ করার গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি আপনি শ্রদ্ধাশীল নন, আপনি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করেননা; এতে আমার যে উপকার হচ্ছে তা আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবনা। আমি এখন জনগণকেও বলতে পারবো আপনি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসী নন, আর আমার বিদেশী মুরুব্বী ও বন্ধুদের ও সহজে বুঝাতে পারবো। আপনার বিদেশী মুরুব্বী ও বন্ধুদের জন্য এখন অনেক কঠিন হবে আমার শুভাকাঙ্খীদের মোকাবেলা করা। এছাড়া, আমার জন্যে এখন অনেক সহজ হবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিরোধিতা করা, আমি বলতে পারবো  যেহেতু আপনি গণতন্ত্র ও মানুষের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করতে ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন আপনার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় ন্যায়বিচার হবেনা। আমি তাদের সাথে নিয়ে এখন বুক ফুলিয়ে আপনার বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে পারবো। আমার রাজনৈতিক পূণর্বাসনের জন্য এত বড় অবদান রাখায় আপনার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার কোন শেষ নেই। আপনি ও আপনার দলের এমন উদার সহায়তা না পেলে আমি বার বার প্রধানমন্ত্রী হতে পারতামনা।

বিরোধীদলীয় নেত্রীর এ প্রভাতী উপহার ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশে আবেগে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনিও বিরোধীদলীয় নেত্রীর কাছে কৃতজ্ঞ, তার রাজনৈতিক জীবন ও প্রধানমন্ত্রীত্ব লাভে বিরোধীদলীয় নেত্রীর কর্মকান্ডের সুফল ও কম কাজে আসেনি। তিনি এ পারিবারিক সহযোগিতা তাদের পরবর্তী প্রজন্মান্তরে অব্যাহত থাকবে বলে আশা করেন।

বিরোধীদলীয় নেত্রী এতে একাত্মতা প্রকাশ করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন যেন, তার ও তার পরিবার সম্পর্কে বলার বিষয়ে তিনি আরেকটু সতর্কতা অবলম্বন করেন, এসব কথা  নিজে না বলে তিনি দলের তরুণ নেতাদের দিয়ে যেন বলান; এতে তারও মযার্দা রক্ষা হয় আর তাদের প্রকাশ্যে মেলামেশার সুযোগটাও অটুট থাকে। খালেদা আরো বলেন যে, জেলে থাকাকালীন হাসিনার পাঠানো খাবারের স্বাদ তিনি আজো ভুলতে পারেননি। ওগুলো তার এতই ভাল লেগেছিল যে তিনি তারপর থেকে রন্ধন কলায় আগ্রহী হয়ে উঠেছেন এবং অবসরে অল্প-বিস্তর চর্চাও করছেন। আবার যদি সে ধরণের সুযোগ আসে তবে তিনি তাকে অবশ্যই নিজের রান্না করা খাবার পাঠাবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। শেখ হাসিনা খালেদাকে জানান যে তিনি তার রান্না করা খাবার চেখে দেখার জন্যে অধীর অপেক্ষায় থাকবেন।

এত বিস্তারিত শুনার পর আমি বেশ ধন্ধে পড়ে যাই, এটা কি সম্ভব? এটা কি সত্যি? জিজ্ঞেস করি- কোন খবরে শুনেছিস? কোন চ্যানেল? কয়টার সময়? এখনো কি শুনা যাবে? ও বলতে পারেনা! আমি আরো প্রশ্ন করি, সে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যায়। আমতা আমতা করে বলে- তাহলে মনে হয় স্বপ্ন দেখেছি। আমি তাকে গালি দিয়ে বলি- শালা —! — তবে মানসিক ডাক্তারের কাছে যা————-।

Posted March 13, 2012 by Abu Ala in Governance, Politics, Rights, Society

নাগরিক সনদ (সিটিজেন চার্টার) বাস্তবায়নে সুপারিশসমূহ (Recommendtions for Making Citizen Charter Effective in Bangladesh)   Leave a comment

গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সংবিধান অনুসারে এ প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণ। আর প্রজাতন্ত্রের নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সেবাসমূহ যথাসময়ে, যথাযথভাবে নিশ্চিত করার জন্য সরকার ও সরকারী দপ্তরসমূহ জনগণ কর্তৃক নিযুক্ত। কাজেই, সরকারী চাকুরীতে নিযুক্ত প্রজাতন্ত্রের সব কর্মচারী নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সেবাসমূহ নিশ্চিত করতে দায়বদ্ধ। দূর্ভাগ্যবশতঃ ঔপনিবেশিক ও স্বৈরতান্ত্রিক অতীত এবং গণতান্ত্রিক চর্চার অভাব আমাদের প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী ও জনপ্রতিনিধিদেরও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে; ফলে তারাও সংবেদনশীল, দায়বদ্ধ সেবাপ্রদানকারী হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। আশার কথা, সাম্প্রতিককালে নাগরিকদের পাশাপাশি তারাও সেবাপ্রদানকারী হিসেবে নিজেদের সংবেদনশীলতা ও দায়দ্ধতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে। এ প্রয়োজনীয়তা থেকেই নাগরিক সনদের সূচনা, যেখানে সেবাপ্রদানকারী নির্দিষ্ট সেবাসমূহ প্রদানের জন্য প্রকাশ্যে লিখিত অঙ্গীকার করে। তবে আনুসঙ্গিক সীমাবদ্ধতার কারণে সেবাপ্রদানের মান ও দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে নাগরিক সনদ বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য কোন অগ্রগতি হয়নি; তাই নাগরিকদের সম্পৃক্ত করে দ্বিতীয় পর্যায়ের নাগরিক সনদ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ মহৎ উদ্যোগে নাগরিক সমাজও সানন্দে সহযোগী হতে চায়। তার অংশ হিসেবে নাগরিক সনদকে আরো কার্যকর করে সেবাপ্রদানকারী প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের সংবেদনশীলতা ও দায়দ্ধতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিম্নোক্ত সুপারিশসমূহ উত্থাপন করছি-

  • নাগরিক সনদ সম্পর্কে সরকারী কর্মচারী ও জনগণকে জানাতে এবং সচেতন করতে হবে। এজন্যে সমন্বিত ও সুস্পষ্ট যোগাযোগ কৌশল থাকতে হবে।

  • দ্বিতীয় পর্যায়ের নাগরিক সনদে যে স্থানীয় কমিটি (উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে) গঠন করা হবে তাতে ৮০ শতাংশ সদস্য হতে হবে নাগরিকদের মধ্যে থেকে। কমিটির প্রধানও নির্বাচিত হতে হবে নাগরিকদের মধ্যে থেকে।

  • স্থানীয় কমিটি প্রতি মাসে কমপক্ষে একটি সভা করবে।

  • সময়মত ও যথাযথ সেবা প্রদানে ব্যর্থতার জন্য জবাবদিহিতা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা থাকতে হবে।

  • প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে প্রতিটি সেবা প্রদানের সর্বোচ্চ সময় নির্ধারণ করে দিতে হবে – যার মধ্যে ঐ সেবা অবশ্যই প্রদান করতে হবে।

  • সেবা প্রদান করার সর্বোচ্চ সময়সীমা স্থানীয় জনগণ, জনপ্রতিনিধি ও নাগরিক সনদ বাস্তবায়ন স্থানীয় কমিটির মতামতের ভিত্তিতে নির্ধারণ করতে হবে।

  • সকল সরকারী দপ্তরে সব সেবাগ্রহীতাকে একটি ক্রম বা নিবন্ধন নম্বর দিতে হবে এবং সে অনুযায়ী কাকে কোন সেবাটি কতদিনে দেয়া হচ্ছে তার তথ্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহে সংরক্ষণ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ে সেবা দিতে ব্যর্থ হলে তার কারণও ঐ নথিতে ব্যাখ্যা করতে হবে।

  • সব সেবাগ্রহীতার জন্য একটি মূল্যায়ন ফরম থাকতে হবে – সেবাগ্রহীতা তাতে তার ক্রম নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করে তার সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সন্তুষ্টি-অসন্তুষ্টি জানাবেন। সেসব মূল্যায়ন ফরমের ভিত্তিতে প্রস্তুতকৃত প্রতিবেদন কমিটির সভায় উপস্থাপন করতে হবে।

  • একটি অভিযোগ বাক্স থাকবে যাতে সেবা প্রাপ্তিতে অসন্তুষ্ট সেবাগ্রহীতা তার অভিযোগ জানাবেন। ঐ বাক্স কমিটির প্রতিনিধিরা মাসিক সভায় খুলবেন ও ব্যবস্থা নেবেন।

  • নাগরিক সনদ বাস্তবায়ন স্থানীয় কমিটি অভিযোগের তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে তলব, জবাবদিহি ও নির্ধারিত সময়ে যথাযথভাবে ঐ সেবা প্রদানে বাধ্য করতে পারবেন।

  • যথাযথ ও সময়মত সেবা প্রদানে ব্যর্থতার জন্য নাগরিক সনদ বাস্তবায়ন স্থানীয় কমিটি কোন কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করতে পারবেন যা ঐ বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বাস্তবায়নে বাধ্য থাকবেন।

  • নাগরিক সনদ বাস্তবায়ন স্থানীয় কমিটি সেবাগ্রহীতার মূল্যায়ন ফরমের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে উপজেলা ও জেলা পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সেবা প্রদান এবং কর্মচারীদের দক্ষতা ও কর্মনিষ্ঠতা সম্পর্কে নিয়মিত অবহিত করবেন যেন তারা সরকারী কর্মচারীদের সেবা প্রদান আরো দক্ষ করতে পরামর্শ দিতে পারে এবং তাদের বার্ষিক মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় তাতে তাদের সাফল্য-ব্যর্থতার প্রতিফলন থাকে।

Posted January 18, 2012 by Abu Ala in Governance

Tagged with , , , , ,